বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ন্যায্য দামে কিনতে আগ্রহী ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো। কিন্তু সেই দামের অংশ শুধু মালিকের পকেটে নয় শ্রমিকের পকেটেও ঢুকতে হবে।
এমনই অভিমত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংসদ সদস্য জিন ল্যাম্বার্টের। ল্যাম্বার্ট বলেন, জার্মানি যেমন বেশি দাম দিতে আগ্রহী, তেমনি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে ইউরোপজুড়ে।
তিনি জানান, রানা প্লাজা ও তাজরীনের ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রয়োজনে বড় ব্র্যান্ডগুলোকে বাধ্য করা হবে। ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্য নিয়ে ছুটছে বাংলাদেশের পোষাক শিল্প। আনুমানিক ৪০ লাখ শ্রমিকের এই শিল্প থেকে বর্তমানে আয় ২৪.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। শ্রমের মান শ্রমিকের নিরাপত্তা, কারখানার পরিবেশ কিংবা রানা প্লাজা অথবা তাজরীনের আগুনের মতো ঘটনা পেছনে টেনে ধরছে এ শিল্পের এগিয়ে চলার গতি।
বাংলাদেশী উদ্যোক্তারা মান সম্মত পরিবেশ আর শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পোষাকের বাড়তি মূল্যের দাবী করে আসছেন বহুদিন ধরে। কিন্তু ইউরোপ অথবা আমেরিকার ক্রেতাদের পকেট থেকে এদেশের শ্রমিকের নিরাপত্তার জন্য বাড়তি মূল্য নিতে অনিহা বড় বড় পোষাক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংসদ সদস্য জিন ল্যাম্বার্ট বলছেন পরিবেশ উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনে পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত ইইউ।
সেই সাথে নিশ্চয়তা চাইলেন বাড়তি টাকা শ্রমিকের হাতে পৌছানোর। রানা প্লাজা কিংবা তাজরনী ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগীতার জন্য যেসকল ব্রান্ডের দায়বদ্ধতা ছিল, তারা যেন সেখান থেকে সরে না আসতে পারে সে বিষয়েও খেয়াল রাখা হচ্ছে বলে জানান জিন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের এ্ই খাতটি নিয়ে সরকার আর প্রতিষ্ঠান মালিকদের সমণ্বিত উদ্যোগ প্রশংসার যোগ্য। তাগিদ দেন খাতটিকে এগিয়ে নিতে যেসকল আইন করা হয়েছে তা যেন অবশ্যই বাস্তবায়ন হয়। তৈরী পোশাক খাতের সার্বিক উন্নয়নকে চমকপ্রদ বলে মনে করেন ইইউর এই সংসদ সদস্য।
এমনই অভিমত ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংসদ সদস্য জিন ল্যাম্বার্টের। ল্যাম্বার্ট বলেন, জার্মানি যেমন বেশি দাম দিতে আগ্রহী, তেমনি বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে ইউরোপজুড়ে।
তিনি জানান, রানা প্লাজা ও তাজরীনের ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রয়োজনে বড় ব্র্যান্ডগুলোকে বাধ্য করা হবে। ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্য নিয়ে ছুটছে বাংলাদেশের পোষাক শিল্প। আনুমানিক ৪০ লাখ শ্রমিকের এই শিল্প থেকে বর্তমানে আয় ২৪.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। শ্রমের মান শ্রমিকের নিরাপত্তা, কারখানার পরিবেশ কিংবা রানা প্লাজা অথবা তাজরীনের আগুনের মতো ঘটনা পেছনে টেনে ধরছে এ শিল্পের এগিয়ে চলার গতি।
বাংলাদেশী উদ্যোক্তারা মান সম্মত পরিবেশ আর শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পোষাকের বাড়তি মূল্যের দাবী করে আসছেন বহুদিন ধরে। কিন্তু ইউরোপ অথবা আমেরিকার ক্রেতাদের পকেট থেকে এদেশের শ্রমিকের নিরাপত্তার জন্য বাড়তি মূল্য নিতে অনিহা বড় বড় পোষাক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংসদ সদস্য জিন ল্যাম্বার্ট বলছেন পরিবেশ উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনে পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত ইইউ।
সেই সাথে নিশ্চয়তা চাইলেন বাড়তি টাকা শ্রমিকের হাতে পৌছানোর। রানা প্লাজা কিংবা তাজরনী ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগীতার জন্য যেসকল ব্রান্ডের দায়বদ্ধতা ছিল, তারা যেন সেখান থেকে সরে না আসতে পারে সে বিষয়েও খেয়াল রাখা হচ্ছে বলে জানান জিন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের এ্ই খাতটি নিয়ে সরকার আর প্রতিষ্ঠান মালিকদের সমণ্বিত উদ্যোগ প্রশংসার যোগ্য। তাগিদ দেন খাতটিকে এগিয়ে নিতে যেসকল আইন করা হয়েছে তা যেন অবশ্যই বাস্তবায়ন হয়। তৈরী পোশাক খাতের সার্বিক উন্নয়নকে চমকপ্রদ বলে মনে করেন ইইউর এই সংসদ সদস্য।


0 comments:
Post a Comment