গ্রাহক সন্তুষ্টির দিক থেকে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপলের আইফোন সিক্সের চেয়ে দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক ইলেকট্রনিক পণ্য নির্মাতা কোম্পানি স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস ফাইভ এগিয়ে রয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন ম্যাগাজিন কনজিউমার রিপোর্টসের এক জরিপ ফলাফলে এ তথ্য প্রতীয়মান হয়। খবর এনডিটিভি।
কনজিউমার রিপোর্টসের র্যাংকিং অনুযায়ী, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ফাইভের ভিন্ন ভিন্ন তিনটি সংস্করণ গ্রাহক সন্তুষ্টির জরিপ ফলাফলে শীর্ষে রয়েছে, যা অ্যাপলের বহুল প্রত্যাশিত আইফোনের পরবর্তী সংস্করণ আইফোন সিক্স ও আইফোন সিক্স প্লাসকে ছাড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। এ জরিপ ফলাফল কনজিউমার রিপোর্টস ম্যাগাজিনের চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি সংখ্যায় প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাম্প্রতিক এ রেটিংয়ে ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ফাইভ ও গ্যালাক্সি এস ফাইভ অ্যাকটিভ গ্রাহক সন্তুষ্টির দিক থেকে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া রেটিংয়ে ৭৮ পয়েন্ট নিয়ে গ্যালাক্সি এস ফাইভ স্পোর্টস রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে। ধারণা করা হচ্ছে, গ্যালাক্সি এস ফাইভ স্পোর্টসের পাওয়ার ব্যাকআপ দুর্বলতার কারণে রেটিংয়ে ১ পয়েন্ট পিছিয়ে পড়েছে ডিভাইসটি। দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক অন্য ইলেকট্রনিক পণ্য নির্মাতা কোম্পানি এলজির ফ্লাগশিপ স্মার্টফোন এলজি জিথ্রি গ্যালাক্সি এস ফাইভ স্পোর্টসের সমান পয়েন্ট নিয়ে র্যাংকিংয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। রেটিংয়ে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আইফোন সিক্স আর আইফোন সিক্স প্লাসের রেটিং পয়েন্ট ৭৩। আইফোন সিক্স প্লাসের সঙ্গে আরো ১৫টি ডিভাইস সমান পয়েন্ট নিয়ে রেটিংয়ে ১৯তম অবস্থানে রয়েছে।
কনজিউমার রিপোর্টস মূলত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৭০ হাজার স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর মতামতের ভিত্তিতে সাম্প্রতিক এ জরিপ প্রতিবেদন তৈরি করে। যেখানে মোবাইল কম্পিউটিং ক্যাটাগরিতে দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং সামগ্রিকভাবে ১০০-এর মধ্যে ৮১ পয়েন্ট পায়। ২০১৩ সালের তুলনায় গেল বছর গ্রাহক সন্তুষ্টির দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটির পয়েন্ট ৫ বেড়েছে এবং মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপলের চেয়ে ২ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে স্যামসাং। অন্যদিকে অ্যাপল ২০১৩ সালের তুলনায় গেল বছর গ্রাহক সন্তুষ্টির দিক থেকে ২ পয়েন্ট পিছিয়ে পড়েছে।
গ্যালাক্সি এস ফাইভ আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আসে ২০১৪ সালের এপ্রিলে। উন্মোচনের পর পরই ডিভাইসটি স্যামসাংয়ের ফ্লাগশিপ স্মার্টফোন ব্যবসায় এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। অন্যদিকে আইফোনের পরবর্তী সংস্করণ আইফোন সিক্স ও সিক্স প্লাস বাজারে আসে গেল বছরের সেপ্টেম্বরে। বাজারে উন্মোচনের পর পরই ব্যাপক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়ে ডিভাইস দুটি। এছাড়া বেঁকে যাওয়ারও অভিযোগ উঠে। বিভিন্ন ধরনের বিড়ম্বনার কারণেই কনজিউমার রিপোর্টসের রেটিংয়ে আইফোন সিক্স পিছিয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
কনজিউমার রিপোর্টসের র্যাংকিং অনুযায়ী, স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ফাইভের ভিন্ন ভিন্ন তিনটি সংস্করণ গ্রাহক সন্তুষ্টির জরিপ ফলাফলে শীর্ষে রয়েছে, যা অ্যাপলের বহুল প্রত্যাশিত আইফোনের পরবর্তী সংস্করণ আইফোন সিক্স ও আইফোন সিক্স প্লাসকে ছাড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। এ জরিপ ফলাফল কনজিউমার রিপোর্টস ম্যাগাজিনের চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি সংখ্যায় প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাম্প্রতিক এ রেটিংয়ে ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ফাইভ ও গ্যালাক্সি এস ফাইভ অ্যাকটিভ গ্রাহক সন্তুষ্টির দিক থেকে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া রেটিংয়ে ৭৮ পয়েন্ট নিয়ে গ্যালাক্সি এস ফাইভ স্পোর্টস রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে। ধারণা করা হচ্ছে, গ্যালাক্সি এস ফাইভ স্পোর্টসের পাওয়ার ব্যাকআপ দুর্বলতার কারণে রেটিংয়ে ১ পয়েন্ট পিছিয়ে পড়েছে ডিভাইসটি। দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক অন্য ইলেকট্রনিক পণ্য নির্মাতা কোম্পানি এলজির ফ্লাগশিপ স্মার্টফোন এলজি জিথ্রি গ্যালাক্সি এস ফাইভ স্পোর্টসের সমান পয়েন্ট নিয়ে র্যাংকিংয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। রেটিংয়ে ৭৭ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আইফোন সিক্স আর আইফোন সিক্স প্লাসের রেটিং পয়েন্ট ৭৩। আইফোন সিক্স প্লাসের সঙ্গে আরো ১৫টি ডিভাইস সমান পয়েন্ট নিয়ে রেটিংয়ে ১৯তম অবস্থানে রয়েছে।
কনজিউমার রিপোর্টস মূলত যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৭০ হাজার স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর মতামতের ভিত্তিতে সাম্প্রতিক এ জরিপ প্রতিবেদন তৈরি করে। যেখানে মোবাইল কম্পিউটিং ক্যাটাগরিতে দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং সামগ্রিকভাবে ১০০-এর মধ্যে ৮১ পয়েন্ট পায়। ২০১৩ সালের তুলনায় গেল বছর গ্রাহক সন্তুষ্টির দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটির পয়েন্ট ৫ বেড়েছে এবং মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপলের চেয়ে ২ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে স্যামসাং। অন্যদিকে অ্যাপল ২০১৩ সালের তুলনায় গেল বছর গ্রাহক সন্তুষ্টির দিক থেকে ২ পয়েন্ট পিছিয়ে পড়েছে।
গ্যালাক্সি এস ফাইভ আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আসে ২০১৪ সালের এপ্রিলে। উন্মোচনের পর পরই ডিভাইসটি স্যামসাংয়ের ফ্লাগশিপ স্মার্টফোন ব্যবসায় এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। অন্যদিকে আইফোনের পরবর্তী সংস্করণ আইফোন সিক্স ও সিক্স প্লাস বাজারে আসে গেল বছরের সেপ্টেম্বরে। বাজারে উন্মোচনের পর পরই ব্যাপক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়ে ডিভাইস দুটি। এছাড়া বেঁকে যাওয়ারও অভিযোগ উঠে। বিভিন্ন ধরনের বিড়ম্বনার কারণেই কনজিউমার রিপোর্টসের রেটিংয়ে আইফোন সিক্স পিছিয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


0 comments:
Post a Comment