কেন উইলিয়ামসন ও বিজে ওয়াটলিংই ম্যাচের চিত্রটা পাল্টে দেন। ষষ্ঠ উইকেটে এ দুজনের রেকর্ড জুটিতে শ্রীলঙ্কার সামনে ৩৯০ রানের লক্ষ্য দাঁড় করাতে সক্ষম হয় নিউজিল্যান্ড।
কিন্তু শেষ দিনে লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা মাত্র ১৯৬ রানে অলআউট হন। ফলে ১৯৩ রানের বড় জয় পান কিউইরা। অন্তত ২১ বছরের মধ্যে এটি তাদের সবচেয়ে স্মরণীয় টেস্ট জয়। ওয়েলিংটন টেস্ট জয়ের ফলে দুই ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড।
ওয়েলিংটন টেস্টের চতুর্থ দিনটা ছিল সবচেয়ে নাটকীয়। প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের ২২১ রানের জবাবে ৩৫৬ রান করেছিল শ্রীলঙ্কা। ১৩৫ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে শুরু করে নিউজিল্যান্ড দল।
১৫৯ রানে পাঁচ উইকেট হারানো দলকে ৫২৪ রান পর্যন্ত নিয়ে যান উইলিয়ামসন-ওয়াটলিং জুটি। এতে শেষ দিনে লড়াইয়ের পুঁজি পান কিউই বোলাররা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্বাগতিকরা বড় জয় তুলে নেয়।
মার্ক ক্রেইগ, ট্রেন্ট বোল্ট ও ডগ ব্রেসওয়েলদের বলে শুরু থেকেই টালমাটাল ছিল লঙ্কান ব্যাটিং লাইন। দলীয় ৪২ রানে দিমুথ করুনারত্নে ও কৌশল সিলভার ওপেনিং জুটিতে ভাঙন ধরে। বাঁধটা ভেঙে যায় এখানেই। কুমার সাঙ্গাকারা ও ধামিনিকা প্রাসাদ বিদায় নেন এর পরপরই। তাদের পথ অনুসরণ করেন সিলভাও। হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ হওয়ার পরই দলীয় ৯৪ রানে আউট হন তিনি।
এরপর চলে লাহিরু থিরিমান্নের সঙ্গে কিউই বোলারদের লড়াই। সেই লড়াইয়ে এক প্রান্ত আগলে রাখেন থিরিমান্নে। আর অপর প্রান্তে চলে আসা-যাওয়ার পালা। পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে প্রসন্ন জয়াবর্ধনে ও দিনেশ চান্দিমাল ছাড়া কেউই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে টিম সাউদির বলে বোল্ড হন নুয়ান প্রদীপ। আর থিরিমান্নে ৬২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ক্রেইগ ৪টি এবং ব্রেসওয়েল ও বোল্ট ২টি করে উইকেট নেন।
কিন্তু শেষ দিনে লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা মাত্র ১৯৬ রানে অলআউট হন। ফলে ১৯৩ রানের বড় জয় পান কিউইরা। অন্তত ২১ বছরের মধ্যে এটি তাদের সবচেয়ে স্মরণীয় টেস্ট জয়। ওয়েলিংটন টেস্ট জয়ের ফলে দুই ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড।
ওয়েলিংটন টেস্টের চতুর্থ দিনটা ছিল সবচেয়ে নাটকীয়। প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের ২২১ রানের জবাবে ৩৫৬ রান করেছিল শ্রীলঙ্কা। ১৩৫ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলতে শুরু করে নিউজিল্যান্ড দল।
১৫৯ রানে পাঁচ উইকেট হারানো দলকে ৫২৪ রান পর্যন্ত নিয়ে যান উইলিয়ামসন-ওয়াটলিং জুটি। এতে শেষ দিনে লড়াইয়ের পুঁজি পান কিউই বোলাররা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্বাগতিকরা বড় জয় তুলে নেয়।
মার্ক ক্রেইগ, ট্রেন্ট বোল্ট ও ডগ ব্রেসওয়েলদের বলে শুরু থেকেই টালমাটাল ছিল লঙ্কান ব্যাটিং লাইন। দলীয় ৪২ রানে দিমুথ করুনারত্নে ও কৌশল সিলভার ওপেনিং জুটিতে ভাঙন ধরে। বাঁধটা ভেঙে যায় এখানেই। কুমার সাঙ্গাকারা ও ধামিনিকা প্রাসাদ বিদায় নেন এর পরপরই। তাদের পথ অনুসরণ করেন সিলভাও। হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ হওয়ার পরই দলীয় ৯৪ রানে আউট হন তিনি।
এরপর চলে লাহিরু থিরিমান্নের সঙ্গে কিউই বোলারদের লড়াই। সেই লড়াইয়ে এক প্রান্ত আগলে রাখেন থিরিমান্নে। আর অপর প্রান্তে চলে আসা-যাওয়ার পালা। পরবর্তী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে প্রসন্ন জয়াবর্ধনে ও দিনেশ চান্দিমাল ছাড়া কেউই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে টিম সাউদির বলে বোল্ড হন নুয়ান প্রদীপ। আর থিরিমান্নে ৬২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ক্রেইগ ৪টি এবং ব্রেসওয়েল ও বোল্ট ২টি করে উইকেট নেন।

0 comments:
Post a Comment