২০১২ সালে মুক্তির পরপরই পৃথিবীজুড়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিল দক্ষিণ কোরীয় শিল্পী সাইয়ের ‘গ্যাংনাম স্টাইল’। আর ওই গানটিকে উৎসর্গ করে দক্ষিণ কোরিয়ার সিওল জেলায় উন্মোচন করা হবে গ্যাংনাম স্টাইলের মূর্তি।
ধাতুনির্মিত মূর্তিটিতে একটি হাতের ওপর আর একটি হাত নৃত্যের ভঙ্গিতে থাকবে যা গানটিতে ঘোড়ায় চড়ার ভঙ্গি করার সময় ব্যবহৃত হয়েছিল।
সিউলের কোয়েক্স শপিং সেন্টারের বাইরে এই মূর্তিটি স্থাপন করা হবে। গানটির কিছু অংশের দৃশ্যায়ন এখানেই করা হয়েছিল।
ইউটিউবে বিশ্বব্যাপী গানটি ২৪০ কোটি বারেরও বেশি দেখা হয়েছে।
গ্যাংনাম পর্যটন পরিচালক পার্ক হি-সো জানান, তিনি আশা করছেন এটি তাদের জেলার (সিউল) জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, “পর্যটকেরা এই মূর্তির নিচে বা সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে পারবেন। আপনি যখন সেখানে দাঁড়াবেন তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে গানটি বাজতে থাকবে।”
ইউটিউবের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশিবার দেখা হয়েছে এই গানের মিউজিক ভিডিও।
কোরীয় ভাষার ‘গ্যাংনাম স্টাইল’ গানটির মিউজিক ভিডিও ইউটিউবে মুক্তি পায় ২০১২ সালের ১৫ জুলাই। সাই তার ইউটিউব চ্যানেল ‘অফিসিয়াল সাই’-এ এটি প্রকাশ করেন। মুক্তির পর খুব অল্প সময়েই সাইয়ের ঘোড়ার পিঠে চড়ার অঙ্গভঙ্গির আদলে নাচ গোটা পৃথিবীতে নতুন ধারা তৈরি করে।
জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন থেকে শুরু করে ফিলিপাইনের এক জেলের বন্দিরা পর্যন্ত সবাই আক্রান্ত হন ‘গ্যাংনাম’ জ্বরে। ভারতের আইপিএলে গ্যাংনাম স্টাইলে নেচে ক্রিস গেইলও মাতিয়ে তোলেন ভারতীয় উপমহাদেশের দর্শকদের।
'গ্যাংনাম স্টাইল' যুক্তরাজ্যেও সাইকে অনন্য সফলতা এনে দিয়েছে। যুক্তরাজ্যে এই গানের অ্যালবামের ১০ লাখেরও বেশি কপি বিক্রি হয়েছে। কোনো এশীয় তারকার জন্য এই অর্জন এটাই প্রথম।
‘গ্যাংনাম স্টাইল’ প্রসঙ্গে সাই বলেন, “আমার এই গানের মিউজিক ভিডিওর জনপ্রিয়তা আমার নিজের চাইতেও বেশি।”
২০১২ সালে সাই দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক পুরষ্কার ‘ওকগোয়ান ওর্ডার অফ কালচারাল মেরিট’-এ ভূষিত হন।
About aloeindica


0 comments:
Post a Comment