শিশু জিহাদ পাইপের ভেতর পড়ে যাওয়ার সংবাদ গণমাধ্যমে প্রচার হওয়ার পরপরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো।
বিশেষ করে সামাজিক জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক তোলপাড়। শিক্ষার্থী, চাকুরিজীবী, গায়ক, সামাজিক আন্দোলন কর্মী থেকে শুরু করে অনেকেই শিশুটির প্রতি তাদের সহানুভূতি, সহমর্মিতা প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দেন। আবার কেউ কেউ প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টায় প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন ফেসবুক বন্ধুদের কাছে। উদ্ধার অভিযানের দীর্ঘসূত্রতা ও প্রযুক্তিগত দুর্বলতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অনেকে। কেউ আবার পুরো ঘটনাটি সাজানো নাটক বলেও মন্তব্য করেন।
তবে, দুপুরে জিহাদের লাশ উদ্ধারের পর পাল্টে যায় আলোচনার ধরণ। শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করতে না পারায় সরকারের সমালোচনা করেন অনেকে। আবার অনেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি না করে বরং সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে এমন ঘটনা যেনো আর না ঘটে এ নিয়ে সরব আলোচনা করেন।
বিশেষ করে সামাজিক জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক তোলপাড়। শিক্ষার্থী, চাকুরিজীবী, গায়ক, সামাজিক আন্দোলন কর্মী থেকে শুরু করে অনেকেই শিশুটির প্রতি তাদের সহানুভূতি, সহমর্মিতা প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দেন। আবার কেউ কেউ প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টায় প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন ফেসবুক বন্ধুদের কাছে। উদ্ধার অভিযানের দীর্ঘসূত্রতা ও প্রযুক্তিগত দুর্বলতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অনেকে। কেউ আবার পুরো ঘটনাটি সাজানো নাটক বলেও মন্তব্য করেন।
তবে, দুপুরে জিহাদের লাশ উদ্ধারের পর পাল্টে যায় আলোচনার ধরণ। শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করতে না পারায় সরকারের সমালোচনা করেন অনেকে। আবার অনেকেই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি না করে বরং সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে এমন ঘটনা যেনো আর না ঘটে এ নিয়ে সরব আলোচনা করেন।


0 comments:
Post a Comment