চরমানন্দের বহিঃপ্রকাশ নারী ভেদে এমনকি একই নারীর ভিন্ন মিলনসময়ে পার্থক্য হয়। কিছু নারীর আনন্দ চরম শিখরে গিয়ে তা খুব অল্প মুহুর্ত স্থির থেকে fade হয়ে যায়। অনেকের এটি অনেক সময়ব্যপ্তি নিয়ে বিদ্যমান থাকে, উঞ্চতা অনুভব, শরীরের গহীনে শিহরন, এবং এসকল অনুভুতি গুলো মিলনকালে ক্ষনে ক্ষনে আন্দোলিত করে।যৌন পুর্নতৃপ্তির বহিঃপ্রকাশে নারী হয়তো তার শরীর arch করবে, যোনী সহ শরীরের অন্য পেশীকলা খিঁচুনী দেবে এবং তার চেহারা pulled into a grimace করবে/হতে পারে। -তার কন্ঠস্বরের পেশী সংকুচিত হবার ফলে সে হয়তো চিকন-সুরে শিৎকার করবে অথবা নিচের ঠোঁট দাঁত দিয়ে সজোরে কামড়ে ধরবে। -এমনিতে মিলনকালে নারী তার কোমর নাড়াবে (উল্টো দিকে চাপ/ধাক্কা) দিবে কিন্তু যখন চরমানন্দ প্রকট হবে তখন স্থির হয়ে যাবে কিছু সময়ের জন্য।
৬০ এর দশকের যৌনবিজ্ঞানীদের মতে যৌন-চরমানন্দের জন্য ভগাংকুর-ই একমাত্র অঙ্গ। অন্য কোন অঙ্গের সাথে চরমানন্দের সরাসরি সম্পর্কনেই। কিন্তু পরবর্তীতে বিশদ গবেষনা এবং নারীদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার তথ্য সংগ্রহ করে জানা যায় - সংগমের শেষ ভাগে পরম-যৌনতৃপ্তির একপ্রকার অনুভুতি ভগাঙকুরে শুরু হয়ে সম্পুর্ন যৌনাঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে, যা পরবর্তী মুহুর্তের জন্যক্রমশঃ শক্তিশালী আনন্দের চরম শিখরে পৌঁছায়।
প্রচলিত আছে নারীর জি-স্পটে যৌনানন্দের কম্পনের (আন্দোলিত হওয়া) সৃষ্টি হয়ে তা গভীর থেকেগভীরতায়, শক্তিশালী থেকে প্রকটতায়, সময়ব্যপ্তি এবং যোনী - মুত্রনালী - পেলভিক অঙ্গেপ্রতক্ষ্য সংযোগ স্থাপন করে এক স্বর্গীয় সুখানুভুতির অনুরনন ঘটায়।নারী স্বীকার করেন সত্যিকার অর্থেই যৌনপুর্নতৃপ্তিতার মস্তিস্কের ভালবাসা অনুভবেরস্নায়ুযন্ত্রে স্বামীর সাথে মনের যোগাযোগ/সংযোগ প্রতিস্থাপনকরে দেয় যাতাকেসংসারেরপ্রতিদায়িত্বশীলএবংবিশ্বাসযোগ্য দাম্পত্য সম্পর্কে উৎসাহী করে।
৬০ এর দশকের যৌনবিজ্ঞানীদের মতে যৌন-চরমানন্দের জন্য ভগাংকুর-ই একমাত্র অঙ্গ। অন্য কোন অঙ্গের সাথে চরমানন্দের সরাসরি সম্পর্কনেই। কিন্তু পরবর্তীতে বিশদ গবেষনা এবং নারীদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার তথ্য সংগ্রহ করে জানা যায় - সংগমের শেষ ভাগে পরম-যৌনতৃপ্তির একপ্রকার অনুভুতি ভগাঙকুরে শুরু হয়ে সম্পুর্ন যৌনাঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে, যা পরবর্তী মুহুর্তের জন্যক্রমশঃ শক্তিশালী আনন্দের চরম শিখরে পৌঁছায়।
প্রচলিত আছে নারীর জি-স্পটে যৌনানন্দের কম্পনের (আন্দোলিত হওয়া) সৃষ্টি হয়ে তা গভীর থেকেগভীরতায়, শক্তিশালী থেকে প্রকটতায়, সময়ব্যপ্তি এবং যোনী - মুত্রনালী - পেলভিক অঙ্গেপ্রতক্ষ্য সংযোগ স্থাপন করে এক স্বর্গীয় সুখানুভুতির অনুরনন ঘটায়।নারী স্বীকার করেন সত্যিকার অর্থেই যৌনপুর্নতৃপ্তিতার মস্তিস্কের ভালবাসা অনুভবেরস্নায়ুযন্ত্রে স্বামীর সাথে মনের যোগাযোগ/সংযোগ প্রতিস্থাপনকরে দেয় যাতাকেসংসারেরপ্রতিদায়িত্বশীলএবংবিশ্বাসযোগ্য দাম্পত্য সম্পর্কে উৎসাহী করে।


0 comments:
Post a Comment