রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। পকেট গেটেও তালা লাগিয়ে দেয়া হয়। ওই কার্যালয়েই গত দুই দিন ধরে পুলিশি ঘেরাওয়ের মধ্যে আটকে আছেন বিএনপি প্রধান।
ওই কার্যালয়ের সামনের সড়কে আড়াআড়িভাবে ১৪টি ট্রাক ও ভ্যান রাখা হয়েছে। এতে ওই কার্যালয়ে প্রবেশ বা বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। কার্যত পুরো কার্যালয়টি অবরুদ্ধ রয়েছে। এ অবস্থার মধ্যেই দুপুর ১২টার দিকে সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সতর্ক অবস্থায় দাঁড়াতে বলেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে গুলশান কার্যালয় থেকে খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, বেলা ২টার পর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বের হবেন। তাকে যেখানে বাধা দেয়া হবে, সেখানেই সমাবেশ করবেন তিনি।
৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়ে সমাবেশ ও কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি দেওয়ার পর শনিবার রাতে দলীয় কার্যালয় থেকে বের হয়ে নয়া পল্টনে যেতে চাইলে পুলিশ খালেদাকে আটকে দেয়। তখন থেকেই তিনি ওই কার্যালয়ে অবরুদ্ধ।
আগের দিনের মতো আজ সোমবার সকালেও খালেদার গুলশানের বাসা থেকে নাস্তার জন্য পাউরুটি, কলা, ডিম ও জুস নিয়ে আসা হয়। বিএনপিনেত্রী সকাল সাড়ে ৯টায় ঘুম থেকে ওঠেন বলে কার্যালয়ের ভেতরে থাকা মহিলা দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়। তারা জানিয়েছেন, সকালেও খালেদা জিয়া কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে দলের কর্মসূচি নিয়ে কথা বলেছেন। সারা দেশের সর্বশেষ পরিস্থিতিও তাকে জানানো হচ্ছে।
দলের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল কাইয়ুম, প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান, বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মহিলা দলের সভানেত্রী নূরে আরা সাফা, সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সাবেক সাংসদ রেহানা আখতার রানু, নীলুফার চৌধুরী মনি, রাশেদা বেগম হীরা, সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া, সুলতানা আহমেদ, ফরিদা ইয়াসমীন বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে ওই কার্যালয়ে রয়েছেন।
এদিকে কার্যালয়ের সামনে নতুনভাবে তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। ১১টি ট্রাক রেখে আটকে দেওয়া হয়েছে ওই সড়কে ঢোকা ও বের হওয়ার পথ। এছাড়া পুলিশের দুইটি লরি, একটি পিকভ্যান, জলকামান ও সাঁজোয়া যান নিয়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সেখানে মোতায়েন রয়েছে।
ওই কার্যালয়ের সামনের সড়কে আড়াআড়িভাবে ১৪টি ট্রাক ও ভ্যান রাখা হয়েছে। এতে ওই কার্যালয়ে প্রবেশ বা বের হওয়ার পথ বন্ধ হয়ে গেছে। কার্যত পুরো কার্যালয়টি অবরুদ্ধ রয়েছে। এ অবস্থার মধ্যেই দুপুর ১২টার দিকে সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সতর্ক অবস্থায় দাঁড়াতে বলেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে গুলশান কার্যালয় থেকে খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, বেলা ২টার পর বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বের হবেন। তাকে যেখানে বাধা দেয়া হবে, সেখানেই সমাবেশ করবেন তিনি।
৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়ে সমাবেশ ও কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি দেওয়ার পর শনিবার রাতে দলীয় কার্যালয় থেকে বের হয়ে নয়া পল্টনে যেতে চাইলে পুলিশ খালেদাকে আটকে দেয়। তখন থেকেই তিনি ওই কার্যালয়ে অবরুদ্ধ।
আগের দিনের মতো আজ সোমবার সকালেও খালেদার গুলশানের বাসা থেকে নাস্তার জন্য পাউরুটি, কলা, ডিম ও জুস নিয়ে আসা হয়। বিএনপিনেত্রী সকাল সাড়ে ৯টায় ঘুম থেকে ওঠেন বলে কার্যালয়ের ভেতরে থাকা মহিলা দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়। তারা জানিয়েছেন, সকালেও খালেদা জিয়া কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে দলের কর্মসূচি নিয়ে কথা বলেছেন। সারা দেশের সর্বশেষ পরিস্থিতিও তাকে জানানো হচ্ছে।
দলের ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল কাইয়ুম, প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান, বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, মহিলা দলের সভানেত্রী নূরে আরা সাফা, সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সাবেক সাংসদ রেহানা আখতার রানু, নীলুফার চৌধুরী মনি, রাশেদা বেগম হীরা, সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া, সুলতানা আহমেদ, ফরিদা ইয়াসমীন বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে ওই কার্যালয়ে রয়েছেন।
এদিকে কার্যালয়ের সামনে নতুনভাবে তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। ১১টি ট্রাক রেখে আটকে দেওয়া হয়েছে ওই সড়কে ঢোকা ও বের হওয়ার পথ। এছাড়া পুলিশের দুইটি লরি, একটি পিকভ্যান, জলকামান ও সাঁজোয়া যান নিয়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সেখানে মোতায়েন রয়েছে।


0 comments:
Post a Comment