বিশ্বকাপ; তারকা তৈরী আর পতনের মঞ্চ। যেখানে কেউ যান তারকা হয়ে আর কেউ তারকা হতে। ব্যাট বলের লড়াইয়ে, উজ্জ্বল হয়ে ওঠে পরিসংখ্যানের পাতা।
এবারকার বিশ্বকাপে মাঠের লড়াইয়ের আগে, ব্যক্তিগত ও দলগত কিছু পরিসংখ্যান এক নজরে দেখে নেয়া যাক।
ক্রিকেট মানেই নাকি নিরেট পরিসংখ্যান। যার পরতে পরতে লুকিয়ে থাকে অজস্র মাইলফলক আর রেকর্ডের ফুলঝুরি।
শুরু করা যাক বাংলাদেশকে দিয়েই। এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে তরুণ দল টিম বাংলাদেশের। যাদের গড় বয়স মাত্র ২৫। আর বুড়োদের দল হিসেবে পরিচয় পেয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। গড় বয়স প্রায় সাড়ে বত্রিশ।
বিশ্বকাপে লঙ্কানদের রেকর্ডও কম সমৃদ্ধ নয়। এক আসরে পাঁচ শতাধিক রানের মালিক দুই লঙ্কান ব্যাটসম্যানের। মাহেলা জয়াবর্ধনে ও তিলাকারাত্নে দিলশান। উইকেটের পেছনে দাড়িয়ে সবচেয়ে বেশি ডিসমিসালের কীর্তি গড়েছেন কুমার সাঙ্গাকারা। ৪৬টি।
শুধু ব্যাক্তিগত নয়, দলগত হিসেবেও সবাইকে ছাড়িয়ে শ্রীলঙ্কা। ম্যাচ, রান, শতক ও উইকেট, চার বিভাগেই আছে সবার ওপরে।
তবে এক আসরে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারের রেকর্ড আছে শহীদ আফ্রিদির। গেল আসরে ২১ উইকেট নিয়ে এ কীর্তি গড়েন এ পাক সেনসেশন।
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশিবার শূণ্য রানে আউট হবার নেতিবাচক কীর্তি প্রোটিয়া অধিনায়ক ডি ভিলিয়ার্সের।
এবারের আসরে এমন তিনজন খেলোয়াড় অংশ নিতে যাচ্ছেন যাদের এখনও ওয়ানডে অভিষেকই হয়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জোনাথান কার্টার, শেলডন কটরেল ও আয়ারল্যঅন্ডের পিটার চেজ।
আর এবারই প্রথম দুই লিজেন্ড জাভেদ মিয়াঁদাদ বা শচীন টেন্ডুলকার বিহীন বিশ্বকাপ দেখতে হবে ক্রিকেট বিশ্বকে। মিয়াঁদাদ ১৯৭৫ থেকে ৯৬ আর শচীন খেলেছেন ১৯৯২ থেকে ২০১১ বিশ্বকাপ পর্যন্ত।
এবারকার বিশ্বকাপে মাঠের লড়াইয়ের আগে, ব্যক্তিগত ও দলগত কিছু পরিসংখ্যান এক নজরে দেখে নেয়া যাক।
ক্রিকেট মানেই নাকি নিরেট পরিসংখ্যান। যার পরতে পরতে লুকিয়ে থাকে অজস্র মাইলফলক আর রেকর্ডের ফুলঝুরি।
শুরু করা যাক বাংলাদেশকে দিয়েই। এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে তরুণ দল টিম বাংলাদেশের। যাদের গড় বয়স মাত্র ২৫। আর বুড়োদের দল হিসেবে পরিচয় পেয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। গড় বয়স প্রায় সাড়ে বত্রিশ।
বিশ্বকাপে লঙ্কানদের রেকর্ডও কম সমৃদ্ধ নয়। এক আসরে পাঁচ শতাধিক রানের মালিক দুই লঙ্কান ব্যাটসম্যানের। মাহেলা জয়াবর্ধনে ও তিলাকারাত্নে দিলশান। উইকেটের পেছনে দাড়িয়ে সবচেয়ে বেশি ডিসমিসালের কীর্তি গড়েছেন কুমার সাঙ্গাকারা। ৪৬টি।
শুধু ব্যাক্তিগত নয়, দলগত হিসেবেও সবাইকে ছাড়িয়ে শ্রীলঙ্কা। ম্যাচ, রান, শতক ও উইকেট, চার বিভাগেই আছে সবার ওপরে।
তবে এক আসরে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারের রেকর্ড আছে শহীদ আফ্রিদির। গেল আসরে ২১ উইকেট নিয়ে এ কীর্তি গড়েন এ পাক সেনসেশন।
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশিবার শূণ্য রানে আউট হবার নেতিবাচক কীর্তি প্রোটিয়া অধিনায়ক ডি ভিলিয়ার্সের।
এবারের আসরে এমন তিনজন খেলোয়াড় অংশ নিতে যাচ্ছেন যাদের এখনও ওয়ানডে অভিষেকই হয়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জোনাথান কার্টার, শেলডন কটরেল ও আয়ারল্যঅন্ডের পিটার চেজ।
আর এবারই প্রথম দুই লিজেন্ড জাভেদ মিয়াঁদাদ বা শচীন টেন্ডুলকার বিহীন বিশ্বকাপ দেখতে হবে ক্রিকেট বিশ্বকে। মিয়াঁদাদ ১৯৭৫ থেকে ৯৬ আর শচীন খেলেছেন ১৯৯২ থেকে ২০১১ বিশ্বকাপ পর্যন্ত।
সূত্র:ইন্টারনেট


0 comments:
Post a Comment