latest Post

জেনে নিন,যৌনকর্মীদের মৃত্যুর পর স্থান কোথায় ?

গায়ে  যৌনকর্মীর তকমা ৷ তাই মৃত্যুর পর না জোটে আগুন, না জোটে মাটি। ধুলিয়ান শহরে যৌনপল্লির কেউ মারা গেলে গলায় পাথর বেঁধে দেহ গঙ্গায় ভাসিয়ে দেওয়াই তাই ভবিতব্য তাঁদের৷ কেউ কেউ সমাজকে আড়াল করে দুরে নিয়ে গিয়ে নদীর চরে পুঁতে দিয়ে আসতে পারলে সৌভাগ্য মনে করেন ৷
বৈষম্য, বঞ্চনার এই ক্ষত থেকে মুক্তি পেতে মৃত্যুর পর স্বজনকে মাটি দেওয়ার জন্য এক খণ্ড জমি চেয়ে রাজনৈতিক দলগুলির দরজায় দরজায় ঘুরছেন তাঁরা ৷
যৌনকর্মীদের ভোট নিতে ছুত্মার্গ না থাকলেও ক্ষমতায় যে দলই থাক, বছরের পর বছর সমস্যাটি সমাধানে কোনও উদ্যোগই নেয়নি ধুলিয়ান পুরসভা ৷ শহরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে যৌনপল্লির মানুষগুলির যে কিছু বলার থাকতে পারে, তা রাজনৈতিক নেতাদের মনে হয় ভোটের সময় এলে ৷
শুধু যৌনকর্মীর সংখ্যাই বা ৩০০ হওয়ায় এই ওয়ার্ডে ভোট এলে তাঁদের গুরুত্ব বাড়ে৷ গত নির্বাচনে ধুলিয়ান পুরসভা ছিল কংগ্রেসের হাতে ৷ পরে তৃণমূলের দখলে যায় ৷
প্রাক্তন পুরপ্রধান তথা কংগ্রেস নেতা সফর আলি বলেন, ‘আমি ওঁদের জন্য কবরস্থান গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিলাম ৷ কিন্তু পরে বোর্ড তৃণমূলের হাতে যায় ৷’ তৃণমূলের ধুলিয়ান ব্লক সভাপতি কওসর আলি এবং প্রাক্তন সিপিএম সাংসদ আবুল হাসানাত খান দু’জনে একই সুরে বলেন, ক্ষমতায় এলে যৌনকর্মীদের জন্য পৃথক কবরস্থান করে দেবেন তাঁরা ৷ আশায় আছেন যৌনকর্মীরা ৷

About aloeindica

aloeindica
Recommended Posts × +

0 comments:

Post a Comment