৫ জানুয়ারি সমাবেশের অনুমতি নিয়ে আলোচনার জন্য দুই দফা গিয়েও ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারের দেখা পাননি বিএনপি নেতারা।
দশম সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তির দিনটি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দেওয়া বিএনপি সেদিন পুলিশের অনুমতি না পেলেও সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে।
অন্যদিকে একই দিন রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাদের বক্তব্যে এক বছর পর বাংলাদেশে আবার রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সমাবেশের অনুমতি চাইতে গত বৃহস্পতিবার ডিএমপি কমিশনারে কার্যালয়ে গিয়ে তার দেখা না পেয়েই ফেরত আসে বিএনপি প্রতিনিধি দল।
কমিশনার বেনজীর আহমেদ সেদিন নতুন আইজিপির সঙ্গে টুঙ্গীপাড়ায় গিয়েছিলেন। বেনজীরও র্যাবের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন, তবে উত্তরসূরি আছাদুজ্জামান মিয়াকে এখনও দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি।
বেনজীর আহমেদ
শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় আবার বিএনপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল বেইলি রোডে ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে যান। কিন্তু ইজতেমার প্রস্তুতির কথা বলে তাদের নিরাশ করা হয়েছে।
১৫ মিনিট কমিশনার কার্যালয়ের অভ্যর্থনা কক্ষে বসে ছিলেন বিএনপির তিন নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু, জয়নুল আবদিন ফারুক ও আব্দুল লতিফ জনি। এ সময়ে এক প্রশসানিক কর্মকর্তা এসে তাদের জানান, বিশ্ব ইজতেমার কাজে কমিশনারসহ কর্মকর্তারা ব্যস্ত রয়েছেন।
এরপর বেরিয়ে আসার পথে ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, “গত বৃহস্পতিবারের মতো আজও একই অবস্থা হয়েছে। আমরা ডিএমপি কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কারোর দেখা পাইনি। অর্থাৎ আমরা এখনও সোমবারের জনসভার অনুমতি পাইনি।”
অনুমতি না পেলে কী করবেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, সেজন্য বারবার অনুমতির জন্য আসি। আমরা এখনও প্রত্যাশা করছি, অনুমতি পাব। অনুমতি না পেলে আমরা আমাদের ঘোষিত কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যাব।”
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, নয়া পল্টনের কার্যালয়ের সামনের সড়ক অথবা মতিঝিলের শাপলা চত্বর- এই তিন স্থানের যে কোনো একটিতে জনসভার জন্য গত ২২ ডিসেম্বর বিএনপির পক্ষ থেকে অনুমতি চেয়ে ডিএমপিতে আবেদন করা হয়।
সেদিন রাজধানীর ১৬টি স্থানে সমাবেশ করার ঘোষণা রয়েছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের।
অন্যদিকে একই দিন রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাদের বক্তব্যে এক বছর পর বাংলাদেশে আবার রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সমাবেশের অনুমতি চাইতে গত বৃহস্পতিবার ডিএমপি কমিশনারে কার্যালয়ে গিয়ে তার দেখা না পেয়েই ফেরত আসে বিএনপি প্রতিনিধি দল।
কমিশনার বেনজীর আহমেদ সেদিন নতুন আইজিপির সঙ্গে টুঙ্গীপাড়ায় গিয়েছিলেন। বেনজীরও র্যাবের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন, তবে উত্তরসূরি আছাদুজ্জামান মিয়াকে এখনও দায়িত্ব হস্তান্তর করেননি।
বেনজীর আহমেদ
শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় আবার বিএনপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল বেইলি রোডে ডিএমপি কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে যান। কিন্তু ইজতেমার প্রস্তুতির কথা বলে তাদের নিরাশ করা হয়েছে।
১৫ মিনিট কমিশনার কার্যালয়ের অভ্যর্থনা কক্ষে বসে ছিলেন বিএনপির তিন নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু, জয়নুল আবদিন ফারুক ও আব্দুল লতিফ জনি। এ সময়ে এক প্রশসানিক কর্মকর্তা এসে তাদের জানান, বিশ্ব ইজতেমার কাজে কমিশনারসহ কর্মকর্তারা ব্যস্ত রয়েছেন।
এরপর বেরিয়ে আসার পথে ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, “গত বৃহস্পতিবারের মতো আজও একই অবস্থা হয়েছে। আমরা ডিএমপি কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কারোর দেখা পাইনি। অর্থাৎ আমরা এখনও সোমবারের জনসভার অনুমতি পাইনি।”
অনুমতি না পেলে কী করবেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, সেজন্য বারবার অনুমতির জন্য আসি। আমরা এখনও প্রত্যাশা করছি, অনুমতি পাব। অনুমতি না পেলে আমরা আমাদের ঘোষিত কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যাব।”
সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, নয়া পল্টনের কার্যালয়ের সামনের সড়ক অথবা মতিঝিলের শাপলা চত্বর- এই তিন স্থানের যে কোনো একটিতে জনসভার জন্য গত ২২ ডিসেম্বর বিএনপির পক্ষ থেকে অনুমতি চেয়ে ডিএমপিতে আবেদন করা হয়।
সেদিন রাজধানীর ১৬টি স্থানে সমাবেশ করার ঘোষণা রয়েছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের।
About aloeindica


0 comments:
Post a Comment